
সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে-স্কেল প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে প্রারম্ভিক মূল বেতন গ্রেডভেদে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম পে-স্কেল অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন কাঠামো তিন ধাপে বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
নতুন পে-স্কেলে সর্বোচ্চ গ্রেড-১-এর প্রারম্ভিক মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বনিম্ন গ্রেড-২০-এর প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বেড়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী গ্রেড-১ থেকে গ্রেড-১১ পর্যন্ত প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ শতাংশ করে বাড়ানো হয়েছে। গ্রেড-১২ থেকে গ্রেড-২০ পর্যন্ত নিম্ন গ্রেডগুলোতে বৃদ্ধির হার ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়েছে।
গ্রেড-২-এর প্রারম্ভিক মূল বেতন ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা, গ্রেড-৩-এ ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা, গ্রেড-৪-এ ১ লাখ টাকা, গ্রেড-৫-এ ৮৬ হাজার টাকা, গ্রেড-৬-এ ৭১ হাজার টাকা, গ্রেড-৭-এ ৫৮ হাজার টাকা এবং গ্রেড-৮-এ ৪৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রেড-৯-এর প্রারম্ভিক মূল বেতন ৪৪ হাজার টাকা, গ্রেড-১০-এ ৩২ হাজার টাকা এবং গ্রেড-১১-এ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রেড-১২-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন প্রায় ২৪ হাজার টাকা, গ্রেড-১৩-এ ২৪ হাজার টাকা, গ্রেড-১৪-এ ২০ হাজার ৫০০ টাকা, গ্রেড-১৫-এ ২২ হাজার ৮০০ টাকা, গ্রেড-১৬-এ ২১ হাজার ৯০০ টাকা, গ্রেড-১৭-এ ২১ হাজার ৪০০ টাকা, গ্রেড-১৮-এ ২১ হাজার টাকা, গ্রেড-১৯-এ ২০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রেড-২০-এ ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নবম পে-স্কেলে প্রথমবারের মতো সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘প্রতিবন্ধী সন্তান’ ভাতা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সুবিধার আওতায় মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে।
নতুন পে-স্কেলের অনুমোদনের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। এখন প্রজ্ঞাপন জারি ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার অপেক্ষা।